1.সঙ্গী বা সঙ্গিনীর পরিবারের ব্যক্তিদের কাউকে অপছন্দ হতেই পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে তার পরিবারের সদস্যদের নিন্দা করবেন না। মনের কথা বরং মনেই রাখুন। ব্যক্তিটি খারাপ হলে সময় মতো আপনাআপনি তার মুখোশ খুলে যাবে।
2.ভালো না লাগলেও ছবি দেখুন – সঙ্গী বা সঙ্গিনী একসঙ্গে কোনো চলচ্চিত্র দেখতে চাইলে, সেটা যত অপছন্দই হোক না করবেন না। বরং এ ব্যাপারে আগ্রহ দেখান।
3.কখনও কখনও সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সব কথা সঠিক হয় না। অনেকে গুছিয়ে কথা বলতে পারেন না, এতে সরাসরি কথা না ধরে পরিস্থিতি বুঝে তা এড়িয়ে গিয়ে উল্টোটা বলা বুদ্ধিমানের কাজ!
4.এখনও সমাজে অনেকে স্থূলকায় ব্যক্তিদের নিয়ে পরিহাস করেন। তাই সঙ্গী বা সঙ্গিনীর চেহারা নিয়ে সরাসরি কথা না বলাই ভালো।
5.সঙ্গী বা সঙ্গিনী কোনও উপহার দিলে, সেটা পছন্দ না হলেও খুশি মনে গ্রহণ করুন। এ ক্ষেত্রে কলহ হবে না।বরং সংসার সুখের হয় মিথ্যের গুণে।
6.হতেই পারে, সঙ্গী বা সঙ্গিনীর রান্না কারও পছন্দ হয়নি। কিন্তু আপনার কাছে সেটাই হোক অমৃত। হল না। প্রথমবার মিথ্যে বলাই ভালো!
7.সঙ্গী বা সঙ্গিনী কিছু পরলে, সেটা তাকে না মানালেও সত্যিটা বলা যাবে না! বরং বলুন তোমাকে দারুণ মানিয়েছে।
8.সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কোনও রসিকতায় অন্যের হাসি না-ই পেতে পারে! তবে আপনি হাসুন, মজা করুন। রসিকতায় সমর্থন জানিয়ে হাসা-ই ভালো!

0 Comments